অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে এই মুহূর্তে ব্যাংক ঋণের সুদহার কমানো সম্ভব নয়। ব্যাংকিং খাত এখন অনেকটা স্থিতিশীল।
ঋণের সুদ
মাস ফুরালেই শেষ হচ্ছে বিদেশি উৎস থেকে নেওয়া ঋণের সুদ পরিশোধের ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ করছাড়ের বিশেষ সুবিধার মেয়াদ। ফলে আগামী বছর থেকে বার্ষিক প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত মাশুল গুণতে হবে বিদেশি বিভিন্ন উৎস থেকে ঋণ নেওয়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকগুলোকে
চলতি মাসে ভোক্তা ঋণের সুদহার হবে প্রায় সাড়ে ১১ শতাংশ। প্রতি মাসের শুরুতে ‘স্মার্ট’ তথা সিক্স মান্থ মুভিং এভারেজ রেট অব ট্রেজারি বিলের হার জানিয়ে দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
রফতানি খাতে প্রি-শিপমেন্ট ঋণে সুদের হার ১ শতাংশ কমিয়ে ৯ দশমিক ১০ শতাংশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক (বিবি)।রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রফাতানি খাতের বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ বিবেচনা করে বৃহস্পতিবার (২৭ জুলাই) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধান ও নীতি বিভাগ একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।
ব্যাংকগুলো অনেক দিন ধরেই সুদহারের সীমা তুলে দেয়ার দাবি জানিয়ে আসছে। কারণ ঋণে ৯ শতাংশ সুদের সীমা থাকায় আমানতে সুদ বাড়াতে পারছে না ব্যাংকগুলো।
বিগত সকল বাজেটের চেয়ে এ বাজেট বেশি ধরা হয়েছে। বাংলাদেশে উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন সংস্থা এবং দেশে থেকে ঋণ নিয়ে থাকে। তা কিছুটা স্বল্প মাত্রার আবার কিছু আছে অধিক মাত্রা। আবার অনেক দেশ আছে যারা বিনা সুদে ঋণ দিয়ে থাকে। তবে সেসব ঋণের পরিমাণ খুবই কম। প্রতি বছরই বেড়ে যাচ্ছে ঋণ পরিশোধের ব্যয়।